ইন্ধন দেখছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও মালিকপক্ষ


 পোশাক কারখানায় অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা ছিলেন সতর্ক অবস্থানে। ছবি: সমকাল


আবারও শ্রমিক বিক্ষোভে অশান্ত আশুলিয়া শিল্প এলাকা। সরকার ঘোষিত বার্ষিক ৯ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট প্রত্যাহারসহ নতুন আরও কিছু দাবি-দাওয়া নিয়ে গতকাল বুধবারও কর্মবিরতি পালন করেছেন আশুলিয়ার বেশ কয়েকটি কারখানার শ্রমিকরা।

গতকাল সকালে কাজে যোগ দিয়েও ২৫টি কারখানার শ্রমিকরা উৎপাদন বন্ধ রেখে বেরিয়ে যান। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে বেশ কয়েকটি কারখানায়। তবে হঠাৎ পোশাক খাতে এ ধরনের অস্থিরতার পেছনে ইন্ধন দেখছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও মালিকপক্ষ। কারখানার ভেতরে গ্লাসে আঘাত করে এক শ্রমিক নিজের হাত নিজে কাটার পর সেটি মালিকপক্ষের লোকজন করছেন এমন গুজব ছড়িয়ে পরিস্থিতি অশান্ত করার চেষ্টা করেছেন। হা-মীম গ্রুপের কারখানায় সিসি ক্যামেরার ফুটেজে এমন দৃশ্য ধরা পড়ার পর সাধারণ শ্রমিকরাও স্তম্ভিত। কারা এ ধরনের ঘটনায় ইন্ধন দিচ্ছে তা খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা। এ ছাড়া শ্রমিক অসন্তোষের পেছনে তৃতীয় পক্ষের কোনো কারসাজি রয়েছে কিনা তাও তদন্ত হচ্ছে। 

আশুলিয়ায় গতকাল কয়েকটি কারখানায় ইটপাটকেল ছোড়া হয়। বড় ধরনের সংঘাতময় অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে যৌথ বাহিনীর সদস্যরাও সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। সড়কের বিভিন্ন পয়েন্ট ছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি। 

গত তিন মাসে কয়েক বার আশুলিয়া, সাভার ও গাজীপুরে নানা দাবিতে রাস্তায় নামেন শ্রমিকরা। তবে আশুলিয়া ছিল সবচেয়ে বেশি অশান্ত। অনেক কারখানায় দফায় দফায় ভাঙচুর ও হামলা করা হয়েছে। সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় ধীরে ধীরে পরিস্থিতি শান্ত হলেও হঠাৎ ফের আশুলিয়ায় শ্রমিক অসন্তোষের ঘটনায় মালিকপক্ষ উদ্বিগ্ন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ইনক্রিমেন্ট নিয়ে আজ আবার ত্রিপক্ষীয় বৈঠক হবে। 

এদিকে শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, শিল্প খাতে এক ধরনের অস্থিরতা চলছে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতে এ অস্থিরতা সৃষ্টি করা হয়েছে। পতিত সরকার ও তাদের বন্ধুরাষ্ট্র জড়িত হয়ে কিছু সমস্যা তৈরি করছে। কিছু সমস্যা শ্রমিকরা না বুঝে করছেন। গতকাল আগারগাঁওয়ে এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। 

পোশাক খাতের অস্থিরতা নিয়ে এ উপদেষ্টা বলেন, শ্রমিকরা সমস্যা তৈরি করছেন না। তাদের দিয়ে সমস্যা তৈরি করানো হচ্ছে। এটি দুর্ভাগ্যজনক। যারা দেশের বাইরে থেকে অস্থিরতা তৈরির ইন্ধন দিচ্ছে, তাদের বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। 

আশুলিয়ায় শিল্পাঞ্চল পুলিশ-১-এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোমিনুল ইসলাম ভূইয়া সমকালকে বলেন, বার্ষিক বেতন-ভাতা ১৫ শতাংশ বাড়ানো ছাড়াও ছুটির টাকাসহ কয়েকটি দাবিতে সকাল থেকে কর্মবিরতি পালন শুরু করেন শ্রমিকরা। একপর্যায়ে কিছু শ্রমিক কয়েকটি পোশাক কারখানা লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে অন্য শ্রমিকদের বের করে আনার চেষ্টা করেন। পরে কারখানা কর্তৃপক্ষ পর্যায়ক্রমে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে। 

তিনি বলেন, নাসা গ্রুপের তিনটি কারখানা নিয়ম অনুযায়ী বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ ছাড়া আরও কিছু কারখানা দুপুরের আগে বিভিন্ন সময়ে ছুটি ঘোষণা করা হয়। 
গত সোমবার বিদ্যমান শতকরা ৫ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির সঙ্গে আরও শতকরা ৪ শতাংশ যুক্ত করে মোট ৯ শতাংশ বার্ষিক মজুরি বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছিল; যা জানুয়ারিতে পাবেন শ্রমিকরা। বেতন বৃদ্ধির সঙ্গে সর্বশেষ সংশোধিত শ্রম আইন অনুযায়ী অন্য সুবিধাও মিলবে। 

গতকাল আশুলিয়া ঘুরে দেখা যায়, নির্ধারিত সময় কারখানায় যান শ্রমিকরা। ‘হাজিরা’ নিশ্চিত করে এরপর কোনো কোনো কারখানায় ১ থেকে ২ ঘণ্টা অবস্থান করে তারা বেরিয়ে যান। আশুলিয়ায় আন্দোলনরত শ্রমিকরা জানান, নতুন বছরের জন্য সরকার ৪ শতাংশ ইনক্রিমেন্টের ঘোষণা দিয়েছে। তবে তাদের দাবি ১৫-২০ শতাংশ। এছাড়া আরও ছয়টি দাবি রয়েছে। ২০২৪ সালের অর্জিত ছুটির টাকা ডিসেম্বরের মধ্যেই পরিশোধ ও যোগদানের তারিখ থেকে ওই ছুটির টাকা দেওয়া। তিন দিন ছুটি পাস করলে হাজিরা বোনাস দেওয়া। মেডিকেল ছুটি দিলে কোনো রকম হাজিরা বোনাস না কাটা; দক্ষতার ভিত্তিতে গ্রেডিং পদ্ধতি চালু। রমজান মাসে কোনো ‘জেনারেল ডিউটি’ না করানো। রমজানে ৮ ঘণ্টার বেশি ডিউটি করালে ইফতারির জন্য ১২০ টাকা করে দেওয়া। আন্দোলনরত কোনো শ্রমিককে ছাঁটাই করা যাবে না। আন্দোলনকারী বা অন্য কোনো শ্রমিক নিজ ইচ্ছায় চলে গেলে সেই শ্রমিকের ফিঙ্গার ব্লক বা ক্রস চিহ্ন দেওয়া যাবে না। শ্রমিকরা চাকরি ছেড়ে দিলে শেষ কর্মদিবসে তাঁর সব পাওনা নগদ দিয়ে দেওয়া। 

আশুলিয়ায় নাসা গ্রুপের কারখানার সামনে গিয়ে দেখা গেল, বন্ধের নোটিশ সাঁটানো। সেখানে লেখা– রোববার পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই অযৌক্তিক দাবিতে শ্রমিকরা কর্মস্থল ত্যাগ করে রাস্তায় নেমে আসে। কারখানার মূল গেটের চাবি ছিনিয়ে নেয়। কয়েকজন শ্রমিককে মারধর করে আহত করা হয়। একইভাবে সোম ও মঙ্গলবার শ্রমিকরা কার্ড পাঞ্চ করে কর্মস্থলে না ঢুকে বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি করে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নাসা সুপার গার্মেন্টস, নাসা সুপার ওয়াশ লিমিটেড ও নেটিভ প্যাকেজেস অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়। 

নাসার কারখানার সামনে বাদল আলী নামে এক শ্রমিকের সঙ্গে কথা হয়। বাদল জানান, এক বছর ১১ মাস ওই কারখানায় তিনি লেডার পদে চাকরি করেন। বেতন-ওভারটাইম ও নানা ভাতা মিলিয়ে মাসে ২৩ হাজার টাকা পান। ইনক্রিমেন্ট ৯ শতাংশের বদলে ১৫-২০ শতাংশ চান শ্রমিকরা। তবে কোম্পানি কিছু দিন আগে হাজিরা বোনাস ৩০০ টাকার বদলে ৯২৫ টাকা করেছে। সন্ধ্যা ৭টার পর ডিউটি থাকলে টিফিন ভাতা দিনে ৬০ টাকা পাওয়া যায়। এই শ্রমিকের ভাষ্য, শ্রমিক-মালিক সবার স্বার্থ দেখতে হবে। মালিকদের দাবি-দাওয়া নিয়ে অযৌক্তিক চাপ দেওয়া যাবে না। আবার সরকারকে বাজারে জিনিসপত্রের দামের বিষয় বিবেচনায় নিতে হবে। 

হা-মীম গ্রুপের কারখানায় কোয়ালিটি অপারেটর হিসেবে কাজ করেন রুবেল হাসান। তিনি বলেন, ঠিকঠাক বেতন-ভাতা পরিশোধে হা-মীম গ্রুপের সুনাম দীর্ঘদিনের। ছুটি কাটিয়ে কারখানায় ফিরে দেখি সমস্যা চলছে। দ্রুত সবাই কাজে ফিরবে এটা চাই। 

গতকাল আশুলিয়া এলাকার হা-মীম গ্রুপ, শারমিন গ্রুপ, মেডলার অ্যাপারেলস, নেক্সট কালেকশন, আল মুসলিম, সেতারা গ্রুপ, ডেকো ডিজাইন, নিউএজ, ইউন্ডি, এনভয়, মেডলার, রোজ ড্রেস লিমিটেডসহ অন্তত ২৫টি কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। বিভিন্ন কারখানায় মালিকপক্ষ দিনভর শ্রমিকদের সঙ্গে বৈঠক করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করেন। হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ. কে. আজাদ তাঁর মালিকানাধীন কারখানার শ্রমিকদের দাবি-দাওয়ার কথা মনোযোগ সহকারে শোনেন। যৌক্তিক বিষয়গুলোর দ্রুত সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। এ সময় কয়েকশ শ্রমিক হাত উঁচিয়ে নিজেদের কারখানা নিজেরা রক্ষা করবেন বলে আশ্বস্ত করেন।

সমকালের হাতে আসা একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, গত মঙ্গলবার বেলা ২টা ১৯ মিনিটে হা-মীম গ্রুপের র‌্যাক ভবনের তৃতীয় তলায় ফিনিশিং ফ্লোরে ফায়ার ডোরের কাচ ঘুসি দিয়ে ভেঙে নিজেই নিজের হাত কাটেন অপারেটর আব্দুস সালাম। এর পর তিনি রক্তের সঙ্গে রং মিশিয়ে ক্ষতস্থান টি-শার্ট দিয়ে বেঁধে কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে হামলার নাটক মঞ্চস্থ করেন। প্রাথমিক চিকিৎসার পর হা-মীম অ্যাম্বলেন্সে করে স্থানীয় নারী ও শিশু হাসপাতালে নেওয়া হয়। এ ঘটনার জের ধরে কয়েকজন শ্রমিক অন্য ফ্লোরে গিয়ে সাধারণ শ্রমিকদের নামিয়ে আনেন। কারখানায় এমন গুজব ছড়িয়ে শ্রমিকদের উস্কে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এরপর ওই ফুটেজ সাধারণ শ্রমিকদের হোয়াটসঅ্যাপসহ বিভিন্ন গ্রুপে পাঠানোর পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এরই মধ্যে এই ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করেছে কর্তৃপক্ষ।   

ইনক্রিমেন্ট নিয়ে ফের বৈঠক আজ 

পোশাক  খাতের শ্রমিকদের বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট বা বেতন বৃদ্ধি ৯ শতাংশ নির্ধারণের সুপারিশ মানেন না সাধারণ শ্রমিকরা। গত সোমবার সন্ধ্যায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর দিন থেকে আশুলিয়া, গাজীপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় শ্রম অসন্তোষ দেখা দেয়। এমন প্রেক্ষাপটে আজ বৃহস্পতিবার আবার বৈঠকে বসবেন সরকার, মালিক ও শ্রমিক পক্ষের প্রতিনিধিরা। সচিবালয়ে অনুষ্ঠেয় বৈঠকে শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন উপস্থিত থাকবেন।  

ইনক্রিমেন্ট ঘোষণার পর গত দুই দিন ধরে কারখানা পর্যায়ের পরিস্থিতি নিয়ে কয়েকজন ব্যবসায়ী নেতা গতকাল সচিবালয়ে উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে সার্বিক পরিস্থিতি অবহিত হওয়ার পর ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। 

গত সোমবার পোশাক শিল্পে নিম্নতম মজুরি পুনর্মূল্যায়ন এবং বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট বৃদ্ধি সংক্রান্ত বিষয়ে সক্ষমতা ও করণীয় বিষয়ক কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধিরা আলোচনায় ১০ শতাংশ ইনক্রিমেন্টের সুপারিশ করেন। অপরদিকে মালিকপক্ষের প্রতিনিধিদের সুপারিশ ছিল, এটি ৮ শতাংশের বেশি না হোক। বিস্তারিত আলোচনা শেষে জানা গেছে, বিদ্যমান ৫ শতাংশের সঙ্গে ৪ শতাংশ যোগ করে ৯ শতাংশ ইনক্রিমেন্টের সুপারিশ করছেন তারা। ওই সুপারিশপত্রে শ্রমিকপক্ষের তিনজন প্রতিনিধির সই রয়েছে। তারা হলেন– বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের মোহাম্মদ খোরশেদ আলম, বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল  শ্রমিক ফেডারেশনের বাবুল আখতার ও বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কবির আহমদ। মালিকদের পক্ষে সুপারিশে সই করেন বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি ফজলে শামীম এহসান ও বিজিএমইএর সাবেক পরিচালক এ এন এম সাইফুদ্দীন। সরকারের পক্ষে শ্রম মন্ত্রণালয়ের ৫ জন কর্মকর্তা সই করেছেন। 

বাবুল আখতার সমকালকে বলেন, ঘোষিত ইনক্রিমেন্ট যথেষ্ট যুক্তিসংগত। অনেক খাতে এত বেশি হারে ইনক্রিমেন্ট নেই। এবার ৯ শতাংশ হওয়া মানে আবার ন্যূনতম মজুরি কাঠামো ঘোষণা হলেও ইনক্রিমেন্ট এর চেয়ে কম হবে না। তার মানে ৫ বছরের মধ্যে মজুরি অর্ধেক বেড়ে যাবে। এর পরও শ্রমিকদের পক্ষে মেনে না নেওয়া দুঃখজনক। তিনি বলেন, আসলে কারখানায় ট্রেড ইউনিয়ন না থাকায় শ্রমিকদের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগ করা কিংবা তাদের পরিস্থিতি বুঝিয়ে শান্ত করার সুযোগ থাকছে না। মন্ত্রণালয় থেকে তাঁকে কিংবা অন্য কোনো শ্রমিক নেতাকে প্রতিনিধি নির্বাচন করা হয়। কিন্তু এসব নেতা সব শ্রমিকের প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন না। 

তৈরি পোশাকের নিট ক্যাটেগরির পণ্য উৎপাদন ও রপ্তানিকারক উদ্যোক্তাদের সংগঠন বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, গ্যাস-বিদ্যুৎসহ সব খাতে বাড়তি ব্যয়ের কারণে উৎপাদন ব্যয় বেড়েই চলেছে। এর মধ্যে হঠাৎ অতিরিক্ত ৪ শতাংশ হারে ইনক্রিমেন্ট পরিশোধের সক্ষমতা অনেক কারখানা কর্তৃপক্ষেরই নেই। তারপরও উৎপাদন পরিবেশের স্বার্থে কারখানা মালিকেরা ত্রিপক্ষীয় সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছেন। এরপরও শ্রমিকরা আরও দাবি করছেন। একটি দাবি পূরণ করার পর নতুন দাবি সামনে নিয়ে এসে কাজ বন্ধ করে দিচ্ছেন। এগুলো শিল্প ধ্বংসের আলামত। এতে কারখানা মালিকেরা যেমন বিপদে পড়বেন, তেমনি শ্রমিকরাও বেকার হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

Post a Comment

ইতি.কম We would like to take a moment to sincerely thank you for your continued support and coverage. Your involvement in our [project/event/campaign] has been invaluable, and we truly appreciate the effort you put into bringing attention to our work.